LIGHTWAS

মামলুকাতুল্লাহ

মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ১ ও ২
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু - ৩ ও ৪
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু - ৫ ও ৬
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু – ৭ ও ৮
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু – ৯ ও ১০
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু - ১১ ও ১২
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ১৩ ও ১৪
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ১৫ ও ১৬
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ১৭ ও ১৮
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ১৯ ও ২০
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ২১ ও ২২
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ২৩ ও ২৪
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ২৫ ও ২৬
মামলুকাতুল্লাহ: রুকু ২৭ ও ২৮

রুকু ১

১ হযরত ইসা মসিহের বংশতালিকা- হযরত ইসা মসিহ হযরত দাউদ আ.র বংশধর এবং হযরত দাউদ আ. হযরত ইব্রাহিম আ.র বংশধর। ২ হযরত ইব্রাহিম আ.র ছেলে হযরত ইসহাক আ.; হযরত ইসহাক আ.র ছেলে হযরত ইয়াকুব আ.; হযরত ইয়াকুব আ.র ছেলে হযরত ইহুদা আ. ও তার ভাইয়েরা; ৩ইহুদার ছেলে ফারিস ও জেরহ- তাদের মা ছিলেন তামর; ফারিসের ছেলে হিস্রোন; হিস্রোনের ছেলে অরাম; ৪অরামের ছেলে আমিনাদব; আমিনাদবের ছেলে নহসোন; নহসোনের ছেলে সালমুন; ৫সালমুনের ছেলে বোয়াঝ- তার মা ছিলেন রাহাব; বোয়াঝের ছেলে ওবেদ- তার মা ছিলেন রুত; ওবেদের ছেলে ইয়াচ্ছা; ৬ইয়াচ্ছার ছেলে বাদশা দাউদ। ৭ হযরত দাউদ আ.র ছেলে হযরত সোলায়মান আ.- তার মা ছিলেন উরিয়ের বিধবা স্ত্রী; সোলায়মানের ছেলে রহাব্য়াম; রহাব্য়ামের ছেলে আবিয়া; আবিয়ার ছেলে আসা; ৮আসার ছেলে ইয়াহুসাফাত; ইয়াহুসাফাতের ছেলে ইউরম; ইউরমের ছেলে উজ্ঝিয়া; ৯উজ্ঝিয়ার ছেলে ইউতাম; ইউতামের ছেলে আহাঝ; আহাঝের ছেলে হিযকিয়া; ১০হিযকিয়ার ছেলে মানাচ্ছা; মানাচ্ছার ছেলে আমুন; আমুনের ছেলে ইউসিয়া; ১১ইউসিয়ার ছেলে ইয়াকুনিয়া ও তার ভাইরা- ব্যাবিলনে নির্বাসনের সময়।

১২ব্যবিলনে নির্বাসনের পর- ইয়াকুনিয়ার ছেলে সালতিয়েল; সালতিয়েলের ছেলে ঝারুব্বাবিল; ১৩ঝারুব্বাবিলের ছেলে আবিহুদ; আবিহুদের ছেলে আলি ইয়াকিম; আলি ইয়াকিমের ছেলে আঝুর; ১৪আঝুরের ছেলে সাদুক; সাদুকের ছেলে আখিম; আখিমের ছেলে আলিয়ুদ; ১৫আলিয়ুদের ছেলে আলি আঝার; আলি আঝারের ছেলে মাতিন; মাতিনের ছেলে ইয়াকুব; ১৬ইয়াকুবের ছেলে ইউসুফ- মরিয়মের স্বামী; এই মরিয়মের গর্ভেই জন্মেছিলেন হযরত ইসা আ., যাঁকে মসিহ বলা হয়।

১৭এভাবে হযরত ইব্রাহিম আ. থেকে হযরত দাউদ আ. পর্যন্ত সব মিলিয়ে চৌদ্দ পুরুষ, হযরত দাউদ আ. থেকে ব্যবিলনে নির্বাসন পর্যন্ত চৌদ্দ পুরুষ এবং ব্যাবিলনে নির্বাসন থেকে মসিহ পর্যন্ত চৌদ্দ পুরুষ।

১৮হযরত ইসা মসিহের জন্ম এভাবে হয়েছিলো- হযরত ইউসুফ র.র সাথে তাঁর মা বিবি মরিয়ম রা.র বিয়ে ঠিক হয়েছিলো কিন্তু তাদের বিয়ের আগেই জানা গেলো যে, তিনি আল্লাহর রুহের মাধ্যমে গর্ভবতী হয়েছেন।

১৯তার স্বামী হযরত ইউসুফ র. আল্লাহর হুকুমের বাধ্য ছিলেন। তিনি মানুষের সামনে তাকে লজ্জায় ফেলতে চাইলেন না। এজন্য তিনি গোপনে বিয়ে ভেঙে দেবার পরিকল্পনা করলেন। ২০কিন্তু তিনি যখন এসব ভাবছিলেন, তখন আল্লাহর এক ফেরেস্তা স্বপ্নে দেখা দিয়ে তাকে বললেন, “দাউদের বংশধর ইউসুফ! মরিয়মকে তোমার স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে ভয় করো না। কারণ আল্লাহর রুহের মাধ্যমেই তার গর্ভে সন্তান এসেছে। তার একটি ছেলে হবে। ২১তুমি তার নাম রাখবে ইসা। কারণ সে তার লোকদের তাদের গুনাহ থেকে নাজাত করবে।” ২২এসব হয়েছিলো যেনো নবির মাধ্যমে আল্লাহ যেকথা বলেছিলেন তা পূর্র্ণ হয়- ২৩“দেখো, একজন কুমারী গর্ভবতী হয়ে এক পুত্রের জন্ম দেবে এবং তারা তার নাম রাখবে ইম্মানুয়েল।” এর অর্থ হলো- “আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।”

২৪হযরত ইউসুফ র. ঘুম থেকে উঠে আল্লাহর ফেরেস্তার হুকুম অনুসারেই কাজ করলেন। ২৫তিনি তাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলেন কিন্তু ছেলের জন্ম না হওয়া পর্যন্ত তার সাথে মিলিত হলেন না এবং তিনি তাঁর নাম রাখলেন ইসা।
Facebook
WhatsApp
Telegram
Email